কখনো কি প্রশ্ন জাগেনি, পৃথিবীতে কেন এমন এক প্রাণীর সৃষ্টি হলো যারা সকল জীব এবং বস্তুর উপর নিয়ত্রণ স্থাপনা করতে পারছে শুধু মাত্র- স্থান, কাল, সময়, গতি ছাড়া। এটা কি সৃষ্টিকর্তার অস্থিত্ব অস্বীকার করার নাকি অনস্বীকার্য। মানুষই নাস্তিক বা আস্তিক হয়। কেন পশু বা জানোয়ারের ধর্ম নেই? কেনো এত সকল জীবের থেকে মানুষ বুদ্ধি ও কাজে ভিন্ন। কারণটা কি মানুষের জন্ম--- বিজ্ঞান তত্ত্ব দিয়ে ধর্মকে অস্বীকার করার জন্য। যদি তাই হয়, তাহলে এই বিজ্ঞান সত্য এটা প্রমাণ করার জন্য পৃথিবীতে মানুষের মতো প্রাণীর জন্ম কেন? কেন মানুষের মতো অদ্বিতীয় সমাজ বা বিজ্ঞান বিভাগ সৃষ্টি করার মতো আর প্রাণী নেই। বিজ্ঞান অতিপ্রাকৃতে অবিশ্বাসী। থেউরিতে চলে বিজ্ঞান। আচ্ছা, বিজ্ঞানে কি জানা সম্ভব মৃত্যুর অনুভূতি কেমন। অবশ্যই সম্ভব না। তাহলে এখানে বিজ্ঞান কী থিউরি দিবে?
.
বিজ্ঞান সৃষ্টির পিছনে সৃষ্টিকর্তা হাত নেই প্রমাণ, যুক্তি দেয়। ধর্ম কি এতই দুর্বল যে ধর্মের কাছে যুক্তি নেই। অবশ্যই আছে, আমার ধর্মে আছে। আচ্ছা 'বিগ ব্যাং' - এর আগের অবস্থা বিজ্ঞান কি উদ্ঘাটন করতে পেরেছে? তাহলে বিজ্ঞান কি তাদের দৃশ্যমানকে নিয়েই গবেষণা বা থিউরেটেকেলি প্রমাণ দিতে পারে? আর তাদের অদৃশ্যমান অবস্থার ভিতরের রহস্য বিজ্ঞান কি প্রমাণ করতে পারে না? বিজ্ঞান কি বলতে পারবে, প্রাণের অবস্থা? প্রাণটা দেখতে কেমন? তারা বলবে প্রাণের আকার নেই। আকার না থাকলে তার অবস্থা কেমন? তাদের মতে নিরাকার বস্তুও পরিমাপ করা যায়। যেমন বায়ু। তাহলে প্রাণের পরিমাপ কি তাদের বিজ্ঞানে সম্ভব।
-
সৃষ্টিকর্তা একজন আছেন যিনি স্থান, কাল, সময় এবং সৃষ্টিরও শুরুতে রয়েছেন। বিজ্ঞান এবং দর্শনের যেখা০২নে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, সেখান থেকে তার জ্ঞান সেই 'সীমাবদ্ধ' সীমাবদ্ধ করার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তিনি বিজ্ঞানের ধারণার বাহিরে। যদি তিনি বিজ্ঞানের ভাবনা এবং গবেষণার অংশ হতেন তাহলে বিজ্ঞানই সৃষ্টির শাসক হতে চাইতেন। যদি তার 'তুলনা' বিজ্ঞানের সাথে তুলনা হতো তাহলে তার অতুলনীয়তার স্বার্থকতা কোথায়? আল্লাহ আছে।
-
বিঃদ্রঃ-- এই লেখাগুলো আমার চিন্তাধারার আপনারা কেমন চিন্তা বা ধারণা করবেন জানি না। আমার চিন্তাধারা এবং আপনার চিন্তাধারা প্রয়োজনে ভিন্নতর হতে পারে।
-
২ নভেম্বর ২০১৭
লেখা-- Mehedi Hasan Hasib



0 Reviews:
Post a Comment